বাংলার এখন – ‘ত্রাহী ত্রাহী দশা’ একদিকে চলমান মহামারী করোনা অপরদিকে আসন্ন ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ – র আশঙ্কা । সেই সাথে অশণি সংকেত
বহন করছে করোনা ভাইরাসের কবলে জর্জরিত পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাটা। করোনা, আমফান ও পরিযায়ী শ্রমিক – তিনটিই মৃত্যুডঙ্কা সাধারণ জনমানসে।
স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন –
“কোভিদ, পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে পৌঁছনো এবং ঘূর্ণিঝড় – তিনটে ইমার্জেন্সি বিষয়। দেখা যাক কে! শক্তিশালী। কিন্তু আমি মনে করি মানুষ সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। মানুষের আশীর্বাদে আমরা জিতবো আশা করি।”
পরিস্থিতি মোকাবিলায় যথেষ্ট উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
আসুন দেখে নেওয়া যাক –
প্রথমত: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে লকডাউনের মেয়াদ বেড়ে ৩১ মে করা হলো। এবং জনজীবনের দুর্ভোগ কমাতে ৪ র্থ দফার লকডাউনে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রশাসন যথেষ্ট উদ্যোগী।
করোনা ভাইরাসের কবলে ভারাক্রান্ত অসহায় ঘরে ফেরা ও মানুষের দুশ্চিন্তার বিষয়। পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে করোনার সংক্রমণ আরও বাড়িয়ে দেবে এটা নিয়ে আশঙ্কা মানুষের।
দ্বিতীয়ত : অন্যদিকে আসন্ন ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় আমফান- এর ডমডমানি নিনাদ। মানসজীবন আতঙ্কিত ।
যদিও প্রশাসন আমফান নিয়ে প্রথম থেকেই মানুষকে সতর্ক ও সাবধানতা অবলম্বন করেছেন। এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা ও নিয়েছে। মৎসজীবিদের ও সমুদ্রে না যাওয়ার বার্তা ও দিয়েছেন।
তৃতীয়ত : পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা ও জরুরী। তাই শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরানোর কাজ ও চলছে। সেক্ষেত্রে সংক্রমণ রুখতে প্রশাসন কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা ও নিয়েছে।
কিন্তু ঘোর প্রাকৃতিক দুর্যোগে যদি পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সরকারের উপর প্রচুর চাপ আসবে। তাই করোনা, আমফান ও পরিযায়ী শ্রমিক – তিনটি বিষয়েই প্রশাসন ও পরীক্ষার মুখে।
এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকারের কাছে লিখিত আবেদন দিয়ে অনুরোধ করেছেন –
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপন্ন পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে।
লক্ষ লক্ষ শ্রমিকদের ঘরে ফেরা তারই মধ্যে আসন্ন ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়। শ্রমিকদের ফিরিয়ে নিয়ে এসে উপযুক্ত জায়গায় রাখার ব্যবস্থা এবং সেখানকার মানুষদের আশঙ্কা মুক্ত করা। সব মিলিয়ে সরকার জটিল পরিস্থিতিতে সম্মুখীন।
“বাইরে থেকে পরিযায়ী শ্রমিকেরা ও আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে বলব সহযোগিতা করতে। কাউকে যেন উস্কানি দেওয়া না হয়। ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা অনেকে করছেন। সে সব বন্ধ করতে বলবো।”
প্রসঙ্গত: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন কেউ কোনো রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধি যাতে না করেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান –
আরও পড়ুন – লকডাউনের মেয়াদ বেড়ে ৪র্থ দফায় লকডাউন জারি : সমালোচনা তুঙ্গে
প্রশাসন তো আছেই এবং সেই সাথে নিজেদের ও সতর্ক ও সাবধান থাকতে হবে। করোনা, আমফান ও পরিযায়ী শ্রমিক – নিয়ে আতঙ্কিত হবেন না। আরও তথ্য পেতে আমাদের পেজে চোখ রাখুন, সঙ্গে থাকুন। আসুন সকলের প্রচেষ্টায় পুনরায় স্বচ্ছ নির্মল ভারতবর্ষ গড়ার অভিপ্রায় রাখি।
সোশ্যাল মিডিয়া এবং গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড এখন একে অপরের পরিপূরক। প্রতিদিন হাজারো কনটেন্টের ভিড়ে বিনোদন প্রেমীরা…
শ্লোকপিডিয়া (Shlokpedia)-তে আপনাকে স্বাগত! আপনি যদি আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করতে চান এবং নিজের টাকাকে নিজের…
শ্লোকপিডিয়া-তে আপনাকে স্বাগত! পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম আলোচিত একটি বিষয় হলো অন্নপূর্ণা…
রাজ্যের মা-বোনেদের জন্য ২০২৬ সাল নিয়ে এসেছে একের পর এক যুগান্তকারী পরিবর্তন। আপনি যদি "লক্ষ্মীর…
বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইনে আয়ের অন্যতম জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো ইউটিউব। আপনি যদি YouTube…
আজকাল অনেক নারীই তাদের শারীরিক গঠন এবং স্তনের আকার নিয়ে সচেতন। আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য অনেকেই…